ঘুমের ওষুধ অভ্যাসে মারাত্মক ক্ষতিকর দিকগুলো জেনে নিন!

ঘুমের ওষুধ অভ্যাসে মারাত্মক ক্ষতিকর দিকগুলো জেনে নিন!

ঘুমের ওষুধ অভ্যাসে মারাত্মক ক্ষতিকর দিকগুলো জেনে নিন!

সাধারণত রোগীদের ঘুমের সমস্যা দূর করতে ডাক্তাররা ঘুমের ওষুধ নেওয়ার
পরামর্শ দিয়ে থাকেন। মানসিক চাপ, অবসাদ ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে
ভালো ঘুমের আশায় অনেকেই ঘুমের ওষুধ নিয়ে থাকেন। তবে ঘুমের উদ্দেশ্যে
নিয়মিত নেওয়া হলে একটা সময় শরীর ওই ওষুধটির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘুম
ভালো হওয়ার উদ্দেশ্যে ঘুমের ওষুধ নেওয়া হলেও এ অভ্যাসের দীর্ঘকালীন
প্রভাব পড়ে শরীরে উপর। আর সেটি অত্যন্ত খারাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

লিভার এবং কিডনির ক্ষতি:

ঘুম না হওয়ার সহজ সমাধান হিসেবে কাজ করে ঘুমের ওষুধ। তবে দীর্ঘস্থায়ী
সমাধান এটি নয় বরং বেশিদিন ঘুমের ওষুধ গ্রহণের অভ্যাস লিভার এবং
কিডনির ক্ষতি করে বলে জানান কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ঘুম এবং মৃগীরোগ বিভাগের পরিচালক।

তন্দ্রাচ্ছন্ন:

যদি ভুল সময়ে আপনি ঘুমেরওষুধ খান তাহলে আপনার শরীরে তা প্রভাব ফেলতে
পারে। যদি আগের দিন রাতে আপনি ঘুমের ওষুধ খাওয়ার পরেও ভাল ঘুম না
হয়, তার প্রভাব পরের দিন বেলা পর্যন্ত থাকতে পারে। কিংবা অনেক রাতে ওষুধ
খেলেও পরের দিন সকাল পর্যন্ত তার ঘোর থাকতে পারে, অর্থাৎ তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব
থাকতে পারে। বিশেষ করে গাড়ি চালানোর সময়, রাস্তা পারাপারের সময় বিপদে
পরার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়।

ব্যবহারে পরিবর্তন:

অনেক সময় ঘুমের ওষুধের নিয়মিত সেবন মানুষের আচার-ব্যবহারে পার্থক্য
তৈরি করতে পারে। মুড সুইং, খিটখিটে মেজাজ প্রভৃতি নানা রকমের লক্ষণ
দেখা দিতে পারে।

অভ্যস্ত হওয়া:

নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খেতে খেতে ওই ধরনের ওষুধে শরীর অভ্যস্ত হয়ে যায়,
ফলে একটা সময়ের পর ওষুধ শরীরে কাজ করা বন্ধ হয়ে যায়। তখন ওষুধের
মাত্রা বাড়াতে হয়। দীর্ঘ সময় ধরে এমনটা চলতে থাকলে তা সত্যিই শরীরের
পক্ষে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে।

অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খারাপ করে:

দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত ঘুমেরওষুধ খেতে থাকলে তা শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গকেও
খারাপ করতে থাকে। শরীরের বর্জ্যও বিনা বাধায় শরীর থেকে বেরতে পারে
না। ফলে দীর্ঘমেয়াদে তা শরীরকে অসুস্থ করে।

হ্যালুশিনেশন:

ঘুমের ওষুধ কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে দুর্বল করে দিতে পারে। এর ফলে হ্যালুশিনেশন এবং
বিভ্রান্তির মতো সমস্যা হতে পারে।

অবসাদ:

ঘুমের ওষুধের কারণে, কারও কারও ক্ষেত্রে, মানসিক রোগের সমস্যা, চন্ডালে
রাগ, হতাশার মতো সমস্যা বাড়তে পারে।

পানি শূণ্যতা:

ঘুমের ওষুধে আসক্ত হয়ে পড়লে তা পানি পিপাসা কমিয়ে দেয়, এতে করে শরীরে
পানি শূণ্যতা দেখা দিতে পারে ফলে তা কিডনিতে প্রভাব ফেলে। এ কারণে অনেক
সময় হেপাটাইটিস ধরনের রোগও হতে পারে।

Bangla health tips-Sleeping disorders-Insomnia-ঘুম না আসলে করণীয়-ভালো ঘুমের টিপস-Health tips bangla

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *