বাঁচতে চাইলে ত্যাগ করুন ব্রেন ধ্বংসকারী কু-অভ্যাস!

বাঁচতে চাইলে ত্যাগ করুন ব্রেন ধ্বংসকারী কু-অভ্যাস!

বাঁচতে চাইলে ত্যাগ করুন ব্রেন ধ্বংসকারী কু-অভ্যাস!

এটা তো ঠিক আপনার মস্তিস্ক আপনার দেহ যন্ত্রের অন্যতম একটি অঙ্গ। অথচ
আমাদের বিভিন্ন কুঅভ্যাসের কারণে আমাদের মস্তিস্ক দারুণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অভ্যাসগুলো বর্ণিত হলো।যদি আপনি সকালের নাস্তা বাদ দিয়ে দেন। সকালের
নাস্তার কার্বোহাইড্রেট সারা দিনের আপনার ব্রেনের গ্লুকোজ সরবরাহ করে থাকে।

চিনি :

আপনার রক্তে অধিকতর চিনি শরীরে প্রোটিন ও পুষ্টি গ্রহণ কমিয়ে দেয়। ফলে
ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্রেন।

ধূমপান :

ধূমপান ব্রেনের চিন্তাশক্তিকে ধ্বংস করে। এমনকি যারা ধূমপায়ী পাশে থাকে তাদেরও।

অতিভোজন :

অতিভোজন ব্রেনের শিরা-উপশিরাগুলোকে মোটা করে। ফলে ব্রেনের ধার কমে যায়।

ঘুমহীনতা :

ঘুম মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয়। ঘুমহীনতা তাই ব্রেন ক্ষতির অন্যতম কারণ।

বায়ুদূষণ :

বায়ুদূষণে ব্রেনে অক্সিজেন কমে যায়। ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও কমে যায়।

মাথা ঢেকে শোয়া :

লেপ বা বালিশে মাথা ঢেকে যারা শুয়ে থাকে তাদের শরীরের নির্গত কার্বন
ডাইঅক্সাইড বের হবার পথ পায় না। ফলে জমায়িত কার্বন ডাইঅক্সাইড আপনার
ব্রেনের ক্ষতি করে।

অসুস্থতার সময় মস্তিস্কে কাজ :

অসুস্থতার সময় ব্রেনের শিরা-উপশিরাগুলো কোঁচকানো থাকে। ফলে অুসস্থতার সময়
কোন মানসিক বা শারীরিক কাজ এমনকি পড়াশোনা ব্রেনের ক্ষতি করে। অল্প পানি খাওয়া।

অল্প কথা বলা :

অল্প কথা বলা ভাল শুনালেও ব্রেনের ওপর সামাজিক আদানপ্রদানের কিন্তু একটি
প্রভাব আছে। একেবারই কথা না বললে আপনার মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

… ডাঃএম.এস বাপ্পি।

এই খারাপ অভ্যাসের কারনেই মস্তিষ্কের রোগ হয়ে থাকে। মস্তিস্ক খারাপ হবার কারন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *